সব রাজাকারের পরিবার আর আইনজীবীরা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে গেলেই তো হয় , উনি সুবিচার দেক রাজাকার পরিবার গুলাকে , আর এইদিকে আমরা আমাদের কাজ করি মানে ওদের ফাঁসি কার্যকর করি । তাহলেই তো ভাল হয় - রাজাকারের ফাঁসিও হয় , তারাও "স্বচ্ছ , নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক" মানের সুবিচার পায় । দেশের আইনে রাজাকারের ফাঁসির রায় হয়েছে , আইন অনুযায়ী তা কার্যকর হবে । দেরি হোক , আগে হোক ,পরে হোক কার্যকর হবেই , কারন রায় ফাসির ই হয়েছে । এখন মির্জা ফখরুলরা আর রাজাকারের পরিবার রা মিলে যদি নিজেরা নিজেদের মধ্যে রায় দিয়ে সুবিচার করায় নিতে পারে তাইলে আমাদের তো আর সমস্যা নাই ,মির্জা ফখরুলের কথা তো আর আদালতের রায়ে কোন প্রভাব ফেলবে না । তারা সুবিচার যেহেতু পেয়েছে কাজেই আপিলের ঝামেলায় না গেলেই হয় , সাকার রায়টা তাড়াতাড়ি কার্যকর হয় । তবে সাকার সুবিচার তখন ই হত যদি শহীদ পরিবারের কোন সদস্য কিংবা কোন বীরাঙ্গনা মা কে দায়িত্ব দেয়া হত তাদেরকে যে পরিমান কষ্ট সাকা দিয়েছে সে পরিমান কষ্ট দিয়ে সাকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার । আবার কোথা থেকে আসছে এক মানবাধিকার সংস্থা "এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল " । আমরা আমাদের দেশে যুদ্ধাপরাধীর ফাসি দিলে এদের এত কি সমস্যা সেটাই বুঝি না। এই কয়টা যুদ্ধাপরাধীর ফাসি হচ্ছে এটাই এদের যখন সহ্য হচ্ছে না , সেই অনুযায়ী হিসাব করলে ত্রিশ লাখ শহীদের ব্যপারে তো এদের আরও লক্ষগুন বেশি সোচ্চার থাকার কথা ছিল । আর মানবাধিকার মানুষের জন্য বলে আমি বিশ্বাস করি , পশুদের জন্য না । আর রাজাকার রা হল পশু ,পশুর ও অধম । ত্রিশ লাখ শহীদ কে উপেক্ষা করে ঐ জন্তু -জানোয়ার গুলোর পক্ষ নিয়ে এমনেস্টি কি নিজেদের কে মানবতা বিরোধী অপরাধীদের অধিকার রক্ষা সংস্থা হিসেবে প্রমান করছে না ? আমার প্রশ্ন হল -যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধ গুলোই হল মানবতা বিরোধী অপরাধ। মানবতা বিরোধী অপরাধীর সাথে আবার মানবতা কিসের ? আর রায়ের কপি ফাঁস হোক বা যাই হোক , রায় তো আর বদলায় যাবে না সেইজন্য । এই রায় রায় দেয়ার আগের দিন লেখা হয়নাই । এই রায় ৪২ বছর আগে ১৬ ই ডিসেম্বর , ১৯৭১ এ লেখা হয়ে গেছে । সেটা বাস্তব রুপ নিয়ে আসতে ৪২ বছর সময় লাগল, এই । তাই দুই পৃষ্ঠা রায় ফাঁস করে বিচার প্রক্রিয়া কে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে লাভ নাই। বাঙালি জাতি এই বিচার প্রক্রিয়ার , এই বিচারকদের , এই তুরিন আফরোজ দের সাথে আছে আর এই বাঙ্গালির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ই এই বাংলার মাটিতে রাজাকারের ফাসি হবে । আমি আদালতের বিচারক , রাষ্ট্র পক্ষের সকল আইনজীবী কে স্যালুট জানাই । আমরা শাহবাগের রাজপথে আছি , আমাদের দাবি জানাচ্ছি , আর সেই দাবিকে প্রাপ্তিতে পরিনত করে আমাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন এই ব্যারিস্টার তুরিন আফরজ রাই । আদালতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে লড়ে যাওয়া এই সৈনিক দের আমার সশ্রদ্ধ সালাম জানাই ।
আগামীকাল সকাল ১০ টা থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমাদের জাতীয় কনভেনশন । মোটামুটি এক সপ্তাহ আগের আঘাত এখন ও আমার শরীরে , আমাকে ক্লান্ত করে রেখেছে - কিন্তু আমি আসব । জামাত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ কর- যুদ্ধাপরাধের বিচার ত্বরান্বিত কর- সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ কর, আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াও- মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নাও, মুক্তচিন্তার পথ খোলা রাখ- তালেবানি রাষ্ট্র বানানোর পাঁয়তারা প্রতিহত কর, নারীর অধিকার সমুন্বত রাখ এই হল আগামীকালের জাতীয় কনভেনশনের দাবি। এই দাবিগুলোর সাথে একমত পোষণ করলে প্লিজ আগামীকাল ঘরে বসে থাকবেন না । আর প্লিজ ভাববেন না - আমি একা না গেলে কি হবে , ঘর থেকেই ওদের সাথে আছি ইত্যাদি। ঘরে বসে একটা আন্দোলনের সাথে থাকা যায় না ভাই , আন্দোলনের সাথে থাকতে হলে আন্দোলন কারীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তায় নামতে হয় , রোদে পুড়তে হয় , বৃষ্টিতে ভিজতে হয় , স্লোগান ধরতে হয়। ঘরে বসে সাথেই আছি ভাবলে আন্দোলন হয়না। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ঘরে বসে থাকাকে সাথে থাকা বলে না । আশা করি সব সহযোদ্ধাকে পাশে পাব আগামীকাল সকাল দশ টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে । মনে রাখবেন - "একটি মানুষ দেখলে স্বপ্ন , স্বপ্নই তারে কয় / দুজনে দেখলে এক ই স্বপ্ন , সেও তো স্বপ্ন নয় । যদি লক্ষ কোটি প্রান দোলে এক স্বপ্ন মূর্ছনায় , সে আর তখন রয় না স্বপন -সত্যি ই হয়ে যায় ।" আগামীকাল লক্ষ কোটি তরুন প্রান আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক হব , যুদ্ধাপরাধী -জামাত -শিবির মুক্ত বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন আমরা দেখি সেই স্বপ্নকে সফল করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে । মনে আছে শহীদ জননীর কথা ? "এই আন্দোলন কে সুদূরের পথ পাড়ি দিতে হবে । আমি জানি জনগনের চেয়ে বিশ্বস্ত কেউ নেই। জয় আমাদের হবেই । "
জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু । জয় প্রজন্ম , জয় শহীদ জননী , জয় গনজাগরন মঞ্চ। জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের , জয় হোক স্বাধীনতার ।
আগামীকাল সকাল ১০ টা থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমাদের জাতীয় কনভেনশন । মোটামুটি এক সপ্তাহ আগের আঘাত এখন ও আমার শরীরে , আমাকে ক্লান্ত করে রেখেছে - কিন্তু আমি আসব । জামাত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ কর- যুদ্ধাপরাধের বিচার ত্বরান্বিত কর- সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ কর, আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াও- মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নাও, মুক্তচিন্তার পথ খোলা রাখ- তালেবানি রাষ্ট্র বানানোর পাঁয়তারা প্রতিহত কর, নারীর অধিকার সমুন্বত রাখ এই হল আগামীকালের জাতীয় কনভেনশনের দাবি। এই দাবিগুলোর সাথে একমত পোষণ করলে প্লিজ আগামীকাল ঘরে বসে থাকবেন না । আর প্লিজ ভাববেন না - আমি একা না গেলে কি হবে , ঘর থেকেই ওদের সাথে আছি ইত্যাদি। ঘরে বসে একটা আন্দোলনের সাথে থাকা যায় না ভাই , আন্দোলনের সাথে থাকতে হলে আন্দোলন কারীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তায় নামতে হয় , রোদে পুড়তে হয় , বৃষ্টিতে ভিজতে হয় , স্লোগান ধরতে হয়। ঘরে বসে সাথেই আছি ভাবলে আন্দোলন হয়না। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ঘরে বসে থাকাকে সাথে থাকা বলে না । আশা করি সব সহযোদ্ধাকে পাশে পাব আগামীকাল সকাল দশ টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে । মনে রাখবেন - "একটি মানুষ দেখলে স্বপ্ন , স্বপ্নই তারে কয় / দুজনে দেখলে এক ই স্বপ্ন , সেও তো স্বপ্ন নয় । যদি লক্ষ কোটি প্রান দোলে এক স্বপ্ন মূর্ছনায় , সে আর তখন রয় না স্বপন -সত্যি ই হয়ে যায় ।" আগামীকাল লক্ষ কোটি তরুন প্রান আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক হব , যুদ্ধাপরাধী -জামাত -শিবির মুক্ত বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন আমরা দেখি সেই স্বপ্নকে সফল করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে । মনে আছে শহীদ জননীর কথা ? "এই আন্দোলন কে সুদূরের পথ পাড়ি দিতে হবে । আমি জানি জনগনের চেয়ে বিশ্বস্ত কেউ নেই। জয় আমাদের হবেই । "
জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু । জয় প্রজন্ম , জয় শহীদ জননী , জয় গনজাগরন মঞ্চ। জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের , জয় হোক স্বাধীনতার ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন