"কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই" - এই গানটা মনে হয় এমনই একটা গান , প্রত্যেকটা মানুষের কিছু না কিছু স্মৃতি জড়িয়ে থাকে এই গানটার সাথে। স্কুল লাইফের তখন প্রায় শেষ , মনে আছে আশেপাশের সবাই মিলে যখন -তখন এই গানটা গাইতাম , আর এই গানটার মধ্যে যেন সবার ই জীবনকাহিনী লেখা আছে । নিখিলেশ , মইদুল , সুজাতা , ডিসুজা চরিত্রগুলো হয়ে ওঠে যেন এক একজনের নিজেদের গল্প । আজও যে কোন সময় অনেক আগের বন্ধুদের নিয়ে চিন্তা করতে বসলেই সবার প্রথমে যেই গানটা মাথায় আসবে তা হল "কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই"। কফি হাউজে কত স্বপ্নের রোদ ওঠে , কত স্বপ্নই মেঘে ঢেকে যায় , তাইনা ? কতজন আসবে - যাবে , কফি হাউজটা ঠিক ই বেঁচে থাকবে আর বাঁচিয়ে রাখবে সঙ্গীতশিল্পী মান্না দে কে ।
একজন সঙ্গীতশিল্পী , একজন লেখক - তাদের সুরের কিংবা লেখনীর কোন সীমানা নেই । আর সেজন্যই কবির সুমন গেয়ে ওঠেন , "সীমানা চিনিনা আছি শাহবাগে , আমার গীটারও আছে - বসন্ত আজ বন্ধুরা দেখ , গণদাবী হয়ে বাজে।" কিংবা একজন ভারতীয় হয়েও সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে বি এস এফ এর নিন্দা করে গেয়ে ওঠেন "রাইফেল তাক কর হে সিপাহী , দোয়েলেরও ভিসা নেই - তোমার গুলিতে বাংলার পাখি কাঁটাতারে ঝুলবেই।" আসলেই বি এস এফ জওয়ানেরা কি একের পর এক বাঙালি কে হত্যা করাকে দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছে নাকি ? যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানরা বাংলাদেশের এক বৃদ্ধকে নির্যাতনের পর হত্যা করে,তার লাশ সীমান্তবর্তী একটি গাছের উপর ঝুলিয়ে রেখেছে । অবাক লাগে - মানুষ কিভাবে এত বর্বর হয় ? কেন হয়?
এদিকে আগামীকাল ২৫ অক্টোবর। বি এন পি - জামাত জোট এইদিনে সন্ত্রাসের প্রস্তুতি নিচ্ছে অনেক আগে থেকেই। একের পর এক বাড়িতে , মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ হল গত কয়েকদিন ধরে । অস্ত্র , বোমা সহ জামাত -শিবিরের যে সন্ত্রাসী গুলোকে আটক করা হয় তাদের যদি আটক করা না যেত তাহলে সেইসব অস্ত্র -গোলাবারুদ কাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হত জানেন তো ? আমাদের বিরুদ্ধে , দেশের সাধারন মানুষের বিরুদ্ধে । আজ সন্ধ্যা থেকে রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে । আশা করি স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির সবরকম চক্রান্তকে নস্যাৎ করে দিয়ে নভেম্বরে কাদের কসাই এর ফাসি কার্যকর সম্ভব হবে । আমরা এতদূর এসেছি, আর পিছিয়ে যেতে চাইনা । জয় বাংলা বলে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। জামাত -শিবির - বি এন পির সব রকম চক্রান্ত শক্ত হাতে প্রতিহত করে স্বাধীন বাংলার মাটিতে রাজাকারের ফাসি কার্যকর দেখতে চাই।
জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু। জয় প্রজন্ম , জয় শহীদজননী , জয় শাহবাগ। জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের , জয় হোক স্বাধীনতার।
একজন সঙ্গীতশিল্পী , একজন লেখক - তাদের সুরের কিংবা লেখনীর কোন সীমানা নেই । আর সেজন্যই কবির সুমন গেয়ে ওঠেন , "সীমানা চিনিনা আছি শাহবাগে , আমার গীটারও আছে - বসন্ত আজ বন্ধুরা দেখ , গণদাবী হয়ে বাজে।" কিংবা একজন ভারতীয় হয়েও সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে বি এস এফ এর নিন্দা করে গেয়ে ওঠেন "রাইফেল তাক কর হে সিপাহী , দোয়েলেরও ভিসা নেই - তোমার গুলিতে বাংলার পাখি কাঁটাতারে ঝুলবেই।" আসলেই বি এস এফ জওয়ানেরা কি একের পর এক বাঙালি কে হত্যা করাকে দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছে নাকি ? যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানরা বাংলাদেশের এক বৃদ্ধকে নির্যাতনের পর হত্যা করে,তার লাশ সীমান্তবর্তী একটি গাছের উপর ঝুলিয়ে রেখেছে । অবাক লাগে - মানুষ কিভাবে এত বর্বর হয় ? কেন হয়?
এদিকে আগামীকাল ২৫ অক্টোবর। বি এন পি - জামাত জোট এইদিনে সন্ত্রাসের প্রস্তুতি নিচ্ছে অনেক আগে থেকেই। একের পর এক বাড়িতে , মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ হল গত কয়েকদিন ধরে । অস্ত্র , বোমা সহ জামাত -শিবিরের যে সন্ত্রাসী গুলোকে আটক করা হয় তাদের যদি আটক করা না যেত তাহলে সেইসব অস্ত্র -গোলাবারুদ কাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হত জানেন তো ? আমাদের বিরুদ্ধে , দেশের সাধারন মানুষের বিরুদ্ধে । আজ সন্ধ্যা থেকে রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে । আশা করি স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির সবরকম চক্রান্তকে নস্যাৎ করে দিয়ে নভেম্বরে কাদের কসাই এর ফাসি কার্যকর সম্ভব হবে । আমরা এতদূর এসেছি, আর পিছিয়ে যেতে চাইনা । জয় বাংলা বলে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। জামাত -শিবির - বি এন পির সব রকম চক্রান্ত শক্ত হাতে প্রতিহত করে স্বাধীন বাংলার মাটিতে রাজাকারের ফাসি কার্যকর দেখতে চাই।
জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু। জয় প্রজন্ম , জয় শহীদজননী , জয় শাহবাগ। জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের , জয় হোক স্বাধীনতার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন