আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে অনেক অপেক্ষার নভেম্বর মাস। কেন অপেক্ষার? কারণ অনেকদিন আগে থেকে শুনছি, বিভিন্ন অনলাইন নিউজেও দেখছি যে নভেম্বরে কাদের কসাই এর ফাঁসি কার্যকর হবে। অনেক আশা করে আছি এই নভেম্বর কে নিয়ে। বাংলাদেশের কলঙ্কমুক্তির মাস হয়ে থাকুক ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসটা। সেই পাঁচ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজাকারের ফাঁসির দাবি নিয়ে জেগে আছি শাহবাগের সৈনিকেরা, বিয়াল্লিশ বছর ধরে অপেক্ষায় আছেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা , পাকিস্তানিদের এবং রাজাকার - আলবদর দের অত্যাচারের চিহ্ন বহন করে বেঁচে আছেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা , বীরাঙ্গনা মাএরা। ত্রিশ লাখ শহীদ চেয়ে আছেন দূর আকাশের নক্ষত্র থেকে , অপেক্ষায় আছেন মা জাহানারা ইমাম - এই সব প্রতীক্ষার অবসান চাই। স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি যত বাধাই দিক না কেন , নভেম্বরে রাজাকার কাদের কসাই এর ফাসি দেখতে চাই।
কুখ্যাত রাজাকার আলবদর নেতা চৌধুরী মাঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় আগামী রবিবার।অবশ্যই অবশ্যই ফাঁসি চাই এই যুদ্ধাপরাধীদের। পাশাপাশি দেশের বাইরে থেকে এদের দ্রুত ফিরিয়ে এনে যাতে রায় কার্যকর করা হয় সেই দাবি রইল। এক বাচ্চু রাজাকার রায় ঘোষণার আগের রাতে পালাল , ফাসি হইল - কোন আপিল ও হয়নাই , কিন্তু রাজাকার টাই পালিয়ে গেছে । এরকম যাতে চৌধুরী মাইনুদ্দিন এবং আশরাফুজ্জামানের ক্ষেত্রে না হয়। এই কুলাঙ্গার দের ফাসির রায় হোক এবং দ্রুত এদেরকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হোক। এই নভেম্বর হোক কলঙ্কমুক্তির, এই নভেম্বর হোক একাত্তরের ষোলই ডিসেম্বরের পর আর একটা বিজয় আনন্দে হাসার। এই নভেম্বর হোক বীরাঙ্গনা মা এর চোখের পানি মুছিয়ে দেয়ার। এই নভেম্বর হোক স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির চূড়ান্ত পরাজয়ের , এই নভেম্বর স্মৃতি হয়ে থাক বিজয়ের ধারক হয়ে - কসাই কাদেরের ফাঁসির স্মৃতি হয়ে।
অনেক আশা নিয়ে প্রতীক্ষায় আছে বাংলাদেশ - বাকি সবকয়টা রাজাকারের ফাসির রায়ের এবং কাদের কসাই এর ফাসির রায় কার্যকরের। আশা করি এবার আর নিরাশ হতে হবে না ...।
জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু। জয় প্রজন্ম , জয় শহীদজননী, জয় গণজাগরণ মঞ্চ। জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের , জয় হোক স্বাধীনতার।
কুখ্যাত রাজাকার আলবদর নেতা চৌধুরী মাঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় আগামী রবিবার।অবশ্যই অবশ্যই ফাঁসি চাই এই যুদ্ধাপরাধীদের। পাশাপাশি দেশের বাইরে থেকে এদের দ্রুত ফিরিয়ে এনে যাতে রায় কার্যকর করা হয় সেই দাবি রইল। এক বাচ্চু রাজাকার রায় ঘোষণার আগের রাতে পালাল , ফাসি হইল - কোন আপিল ও হয়নাই , কিন্তু রাজাকার টাই পালিয়ে গেছে । এরকম যাতে চৌধুরী মাইনুদ্দিন এবং আশরাফুজ্জামানের ক্ষেত্রে না হয়। এই কুলাঙ্গার দের ফাসির রায় হোক এবং দ্রুত এদেরকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হোক। এই নভেম্বর হোক কলঙ্কমুক্তির, এই নভেম্বর হোক একাত্তরের ষোলই ডিসেম্বরের পর আর একটা বিজয় আনন্দে হাসার। এই নভেম্বর হোক বীরাঙ্গনা মা এর চোখের পানি মুছিয়ে দেয়ার। এই নভেম্বর হোক স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির চূড়ান্ত পরাজয়ের , এই নভেম্বর স্মৃতি হয়ে থাক বিজয়ের ধারক হয়ে - কসাই কাদেরের ফাঁসির স্মৃতি হয়ে।
অনেক আশা নিয়ে প্রতীক্ষায় আছে বাংলাদেশ - বাকি সবকয়টা রাজাকারের ফাসির রায়ের এবং কাদের কসাই এর ফাসির রায় কার্যকরের। আশা করি এবার আর নিরাশ হতে হবে না ...।
জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু। জয় প্রজন্ম , জয় শহীদজননী, জয় গণজাগরণ মঞ্চ। জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের , জয় হোক স্বাধীনতার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন