হাজার বছরের সংগ্রামের ইতিহাসের পাতা থেকে জেগে ওঠা একটি দেশের নাম বাংলাদেশ , সেই সংগ্রামী জাতির নাম বাঙালি জাতি। অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে বাঙালি কখনও পিছপা হয়নি - ইতিহাস সাক্ষী। আর সেজন্যেই বাংলাদেশটাকে নিয়ে কখনও আশা হারাই না , আশা হারাবার জন্য যে বাংলাদেশের জন্ম হয়নি। সাম্প্রদায়িক হানাহানি , বিদ্বেষ , নারী নির্যাতন - অনেক অনেক খারাপ খবরের মাঝেও আশার আলো খুঁজে পাই। বার্ন ইউনিটে দগ্ধ মানুষগুলোকে দেখে কাঁদি , কিন্তু জানি সোনার বাংলার গল্পটা এখানেই শেষ নয়। এইসব হামলাকারী কিংবা দেশবিরোধী , স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে মানুষের জাগরণ এই মুহূর্তে দেখায় আশার আলো। ২০১৪ সালের শুরুটাই হল সাম্প্রদায়িক হামলার বিরুদ্ধে এক তীব্র প্রতিবাদের ইতিহাস হয়ে। আমার সোনার বাংলাদেশ এভাবেই জেগে থাকবে সব অপশক্তির বিরুদ্ধে আজীবন।
সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস প্রতিরোধে গণজাগরণ মঞ্চের রোডমার্চ ও নির্যাতিতদের সাহায্য প্রদান কর্মসূচীতে বিভিন্ন জায়গায় , এক একটি পথসভায় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের খবরগুলো দেখছি , পড়ছি , জানছি - আর নিজে যেতে না পারার কষ্টটা আস্তে আস্তে মুছে যাচ্ছে। পারিবারিক সমস্যার কারণে আমি যেতে পারিনি। কিন্তু আমার ভাইয়েরা , বোনেরা , বন্ধুরা , সহযোদ্ধারা সেখানে আছেন। গণজাগরণ মঞ্চ পাশে দাঁড়িয়েছে যশোরের সেই মানুষগুলোর - হয়ত একটু হলেও আঘাতপ্রাপ্ত মানুষগুলো মানুষের উপর বিশ্বাস ফিরে পাবেন আবার। প্রজন্ম চত্বর যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলো দেশের কোটি কোটি তরুণের মনে জ্বালিয়ে দিয়েছিল - সেই আলো এখনও নিভে যায়নি - জেগে আছে জামাত -শিবির , রাজাকার , দেশবিরোধী - স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে।
সেই জেগে থাকার স্মারকই শাহবাগ থেকে যশোরের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সাহায্য করতে ছুটে যাওয়া দুর্জয় তারুণ্য। আর সেই তারুন্যের উপর বিশ্বাসের প্রতীক হল গণজাগরণ মঞ্চের সাথে একাত্মতা প্রকাশের জন্য রাস্তায় রাস্তায় পথসভায় জন জোয়ার। কোন রাজনৈতিক দল নয় , কোন রাজনৈতিক স্বার্থ নয়। শুধুই দেশ মায়ের জন্য বাঙ্গালির এক হওয়ার যে দৃষ্টান্ত প্রজন্ম চত্বর দেখিয়ে আসছে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত, একাত্তরের পর এমন নজির বাংলাদেশের ইতিহাসে আর নেই। মা জাহানারা ইমাম বেঁচে থাকলে আজ হয়ত বুকে টেনে নিতেন প্রজন্ম চত্বরের শত সহস্র রুমীকে। মা , তোমার সন্তান শহীদ রুমীর ছবির নিচে না তুমি লিখেছিলে - "আবার আসিব ফিরে এই বাংলায়" ; মা , প্রজন্ম চত্বরে চেয়ে দেখ -আবার ফিরে এসেছে তোমার সন্তান , কণ্ঠে সেই জয় বাংলা স্লোগান , হাতে সেই রক্তিম পতাকা , বুকে সেই হায়েনাদের প্রতি সুতীব্র ঘৃণা।
একটি রাজাকারমুক্ত , স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিমুক্ত বাংলাদেশের যে বীজ মা রোপণ করে দিয়ে গিয়েছিলেন , প্রজন্ম চত্বর সেই বীজ থেকে জন্ম দিয়েছে প্রথম অঙ্কুরের। নীরবতা ভেঙ্গে চিৎকার করে উঠেছে বাঙালি -"রাজাকারের ফাসি চাই" বলে। ফলশ্রুতি , বাংলাদেশের বিয়াল্লিশ বছরের কলঙ্কমুক্তি , এক ঐতিহাসিক বিজয় দিবস। এরপর গণজাগরণ মঞ্চের উপর আঘাত তো কম আসেনি। পুলিশের নির্লজ্জ আক্রমণ , জামাতের আক্রমণ - সব অতিক্রম করে প্রজন্ম চত্বর জেগে আছে তো এখনও। যশোরের ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মানবতার স্মারক হয়ে দাঁড়াতে গণজাগরণ মঞ্চের যে কর্মীরা ছুটে গিয়েছেন , আমি তাদের প্রতি অনেক বেশি কৃতজ্ঞ। তাঁদের এক একটি হাতের মাঝে মিশে আছে আমার মত আরও অনেক অক্ষম বোনের হাত। এত দূর থেকে ঐ মানুষগুলোর প্রতি আমার ভালোবাসাটুকু তাঁরাই তো পৌঁছে দিয়েছেন মানুষগুলোর কাছে।
"আমার বাংলাদেশ , আঁধার পথে চলতে দেব না
আমার বাংলাদেশ , বিভাজনে জ্বলতে দেব না।"
জয় বাংলা...জয় বাংলা...জয় বাংলা।
সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস প্রতিরোধে গণজাগরণ মঞ্চের রোডমার্চ ও নির্যাতিতদের সাহায্য প্রদান কর্মসূচীতে বিভিন্ন জায়গায় , এক একটি পথসভায় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের খবরগুলো দেখছি , পড়ছি , জানছি - আর নিজে যেতে না পারার কষ্টটা আস্তে আস্তে মুছে যাচ্ছে। পারিবারিক সমস্যার কারণে আমি যেতে পারিনি। কিন্তু আমার ভাইয়েরা , বোনেরা , বন্ধুরা , সহযোদ্ধারা সেখানে আছেন। গণজাগরণ মঞ্চ পাশে দাঁড়িয়েছে যশোরের সেই মানুষগুলোর - হয়ত একটু হলেও আঘাতপ্রাপ্ত মানুষগুলো মানুষের উপর বিশ্বাস ফিরে পাবেন আবার। প্রজন্ম চত্বর যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলো দেশের কোটি কোটি তরুণের মনে জ্বালিয়ে দিয়েছিল - সেই আলো এখনও নিভে যায়নি - জেগে আছে জামাত -শিবির , রাজাকার , দেশবিরোধী - স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে।
সেই জেগে থাকার স্মারকই শাহবাগ থেকে যশোরের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সাহায্য করতে ছুটে যাওয়া দুর্জয় তারুণ্য। আর সেই তারুন্যের উপর বিশ্বাসের প্রতীক হল গণজাগরণ মঞ্চের সাথে একাত্মতা প্রকাশের জন্য রাস্তায় রাস্তায় পথসভায় জন জোয়ার। কোন রাজনৈতিক দল নয় , কোন রাজনৈতিক স্বার্থ নয়। শুধুই দেশ মায়ের জন্য বাঙ্গালির এক হওয়ার যে দৃষ্টান্ত প্রজন্ম চত্বর দেখিয়ে আসছে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত, একাত্তরের পর এমন নজির বাংলাদেশের ইতিহাসে আর নেই। মা জাহানারা ইমাম বেঁচে থাকলে আজ হয়ত বুকে টেনে নিতেন প্রজন্ম চত্বরের শত সহস্র রুমীকে। মা , তোমার সন্তান শহীদ রুমীর ছবির নিচে না তুমি লিখেছিলে - "আবার আসিব ফিরে এই বাংলায়" ; মা , প্রজন্ম চত্বরে চেয়ে দেখ -আবার ফিরে এসেছে তোমার সন্তান , কণ্ঠে সেই জয় বাংলা স্লোগান , হাতে সেই রক্তিম পতাকা , বুকে সেই হায়েনাদের প্রতি সুতীব্র ঘৃণা।
একটি রাজাকারমুক্ত , স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিমুক্ত বাংলাদেশের যে বীজ মা রোপণ করে দিয়ে গিয়েছিলেন , প্রজন্ম চত্বর সেই বীজ থেকে জন্ম দিয়েছে প্রথম অঙ্কুরের। নীরবতা ভেঙ্গে চিৎকার করে উঠেছে বাঙালি -"রাজাকারের ফাসি চাই" বলে। ফলশ্রুতি , বাংলাদেশের বিয়াল্লিশ বছরের কলঙ্কমুক্তি , এক ঐতিহাসিক বিজয় দিবস। এরপর গণজাগরণ মঞ্চের উপর আঘাত তো কম আসেনি। পুলিশের নির্লজ্জ আক্রমণ , জামাতের আক্রমণ - সব অতিক্রম করে প্রজন্ম চত্বর জেগে আছে তো এখনও। যশোরের ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মানবতার স্মারক হয়ে দাঁড়াতে গণজাগরণ মঞ্চের যে কর্মীরা ছুটে গিয়েছেন , আমি তাদের প্রতি অনেক বেশি কৃতজ্ঞ। তাঁদের এক একটি হাতের মাঝে মিশে আছে আমার মত আরও অনেক অক্ষম বোনের হাত। এত দূর থেকে ঐ মানুষগুলোর প্রতি আমার ভালোবাসাটুকু তাঁরাই তো পৌঁছে দিয়েছেন মানুষগুলোর কাছে।
"আমার বাংলাদেশ , আঁধার পথে চলতে দেব না
আমার বাংলাদেশ , বিভাজনে জ্বলতে দেব না।"
জয় বাংলা...জয় বাংলা...জয় বাংলা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন