নীলা আজকে লাল -সবুজ শাড়িটা পরেছে , শাহেদের সাথে দেখা করার কথা একটু পরে। হাতে মেহেদি দিয়েছে অনেক যত্ন করে । এই শাড়িটা নীলার সবচেয়ে প্রিয় , শাহেদ ও যেন এই রঙ টা একটু বেশি ই ভালোবাসে । একবার এ নিয়ে প্রশ্ন করায় শাহেদ উত্তর দিয়েছিল, লাল -সবুজ ভালবাসবো না কেন নীলা ? লাল -সবুজ যে আমাদের পতাকার রঙ , আমাদের চেতনার রঙ , আমাদের বাংলাদেশের রঙ। নীলাও বোঝে আর এক ই কারণে তারও প্রিয় রঙ এটাই । আজ মার্চ মাসের সাত তারিখ । শাহেদের সাথে দেখা করে এরপর দুইজন মিলে প্রথমে রেসকোর্স ময়দানে , এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা মীটিং এ যাওয়ার কথা। অনেক সাধারন ছাত্র- ছাত্রী হলেও সময়ের প্রয়োজনে এখন ওরা নিজেরাই যুক্ত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন গুলোর সাথে । মীটিং এ যায় , সবার আলোচনা শোনে , নিজেদের মতামত থাকলে প্রকাশ করে – এখন ১৯৭১ সাল। সামনে দেশ টার অনেক বড় বিপদ। বঙ্গবন্ধু নির্বাচনে জিতলেও ইয়াহিয়া -ভুট্টো তাকে ক্ষমতায় বসতে দেবে না নিশ্চিত। মুক্তিযুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী পরিনতি এখন , আর সেই মুক্তিযুদ্ধ করতে হবে এই ছাত্রদেরই – এই নীলা -শাহেদ , রহিম , সাজেদা , কাসেম দের ই। আর তাই তারা কেউ চুপ করে বসে নেই। অনেক গোপনে এক একটা মীটিং করছে তারা , আর প্রতিদিনের ঘটনা তাদেরকে বুঝিয়ে দিচ্ছে – তোমরা ঠিক পথেই যাচ্ছ । বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রামের ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধ এখন অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে । পাকিস্তানি হায়েনাদের হাত থেকে চূড়ান্ত মুক্তি এবার অর্জন করে নিতেই হবে তোমাদেরকে ।
বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৩
বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৩
আজো কেন তোমার বুকে ঘুরছে তারা একাত্তরের দালাল যারা , জবাব তোমার দিতেই হবে মা .........
আজকে ঈদের দিন। সবাই নিজের মত করে দিনটা কাটাচ্ছি , তাইনা ? অনেক আনন্দ , অনেক সাজগোজ , ঘোরাফেরা - কোন কিছুতেই কমতি নেই। আচ্ছা , ঈদ তো সবার জন্য- কিন্তু কত মানুষের আজকে নেই ঈদের আনন্দ। সে হিসাব কে রাখবে ? না , আমরা কেউ একা তাদের দুঃখ কষ্ট দূর করতে পারব না - আমাদের বয়সী বা আমাদের চেয়ে অনেক ছোট যেসব শিশুরা পথে পথে , বাড়িতে -বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে এক টুকরা মাংসের আশায় , তাদের সবাই কে একটু শান্তি দেয়া আমাদ...ের কারো একার পক্ষে সম্ভব না। কিন্তু সবাই মিলে ছোট ছোট উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা ই তো পারি ওদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে।
নিজেদের জন্য প্রতিনিয়ত কত টাকাই তো খরচ করেন - এক রাত মোবাইলে একটু কম কথা বলুন না , একদিন কে এফ সি তে না গেলে কি হয় ? সেই টাকাটা জমিয়ে রেখে ঈদের সময় বাসার কাজের মেয়েটির হাতে একটা নতুন পোশাক তুলে দিন না । না , সেটা বসুন্ধরা সিটির আলো ঝলমলে দোকানের লেহেঙ্গা হতে হবে না - ওরা এত বেশি কিছু চায়না , শুধু মানুষের মত বাঁচতে চায় , আর বাঁচার জন্যই সংগ্রাম করে যায় প্রতিনিয়ত। নিজেদের বিলাশবহুল জীবন আর রাস্তার অপর পাশের বস্তিতে বেড়ে ওঠা আপনার সমবয়সী একজনের জীবনের দিকে তাকান , পার্থক্যটুকু খুঁচিয়ে দিতে পারেন আপনি ই।
নিজেদের জন্য প্রতিনিয়ত কত টাকাই তো খরচ করেন - এক রাত মোবাইলে একটু কম কথা বলুন না , একদিন কে এফ সি তে না গেলে কি হয় ? সেই টাকাটা জমিয়ে রেখে ঈদের সময় বাসার কাজের মেয়েটির হাতে একটা নতুন পোশাক তুলে দিন না । না , সেটা বসুন্ধরা সিটির আলো ঝলমলে দোকানের লেহেঙ্গা হতে হবে না - ওরা এত বেশি কিছু চায়না , শুধু মানুষের মত বাঁচতে চায় , আর বাঁচার জন্যই সংগ্রাম করে যায় প্রতিনিয়ত। নিজেদের বিলাশবহুল জীবন আর রাস্তার অপর পাশের বস্তিতে বেড়ে ওঠা আপনার সমবয়সী একজনের জীবনের দিকে তাকান , পার্থক্যটুকু খুঁচিয়ে দিতে পারেন আপনি ই।
মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৩
লক্ষ শহীদ ডাক দিয়েছে , সব সাথীদের খবর দে -সারা বাংলা ঘেরাও করে , রাজাকারের কবর দে
এই সেই শাহবাগ, যেখানে মিছিলে- স্লোগানে প্রানের দাবি জানায় তারুন্য ,
এই সেই শাহবাগ, যেখানে প্রেমিকের ভালোবাসার বন্ধন ভেঙ্গে ছুটে আসে প্রেমিকা,
যেখানে পরিবারের বাধা অস্বীকার করে মিছিলে হাজির হয় কিশোরী মেয়েটি,
যেখানে বিয়াল্লিশ বছরের কলঙ্কের অবসানের জন্য প্রতীক্ষায় থাকে বাংলাদেশ-
আমি সেই শাহবাগের কথা বলছি , সেই প্রজন্ম চত্বরের কথা বলছি।
যেখানে এক পতাকাতলে সমবেত হয় বাংলাদেশ, কলঙ্কমোচনের দাবি নিয়ে ,
য...েখানে এক দাবিতে একতাবদ্ধ হয় বাঙালি , রাজাকারের ফাসির দাবি নিয়ে ,
অন্তরে রাজাকারের ফাসির দাবি , কণ্ঠে জয় বাংলা , হাতে রক্তিম পতাকা নিয়ে-
যেই প্রজন্ম চত্বরে স্লোগান ওঠে "আর কোন দাবি নাই , রাজাকারের ফাঁসি চাই",
আমি সেই শাহবাগের কথা বলছি , আমি সেই প্রজন্ম চত্বরের কথা বলছি।
এই সেই শাহবাগ, যেখানে প্রেমিকের ভালোবাসার বন্ধন ভেঙ্গে ছুটে আসে প্রেমিকা,
যেখানে পরিবারের বাধা অস্বীকার করে মিছিলে হাজির হয় কিশোরী মেয়েটি,
যেখানে বিয়াল্লিশ বছরের কলঙ্কের অবসানের জন্য প্রতীক্ষায় থাকে বাংলাদেশ-
আমি সেই শাহবাগের কথা বলছি , সেই প্রজন্ম চত্বরের কথা বলছি।
যেখানে এক পতাকাতলে সমবেত হয় বাংলাদেশ, কলঙ্কমোচনের দাবি নিয়ে ,
য...েখানে এক দাবিতে একতাবদ্ধ হয় বাঙালি , রাজাকারের ফাসির দাবি নিয়ে ,
অন্তরে রাজাকারের ফাসির দাবি , কণ্ঠে জয় বাংলা , হাতে রক্তিম পতাকা নিয়ে-
যেই প্রজন্ম চত্বরে স্লোগান ওঠে "আর কোন দাবি নাই , রাজাকারের ফাঁসি চাই",
আমি সেই শাহবাগের কথা বলছি , আমি সেই প্রজন্ম চত্বরের কথা বলছি।
জামাত -শিবিরের হামলা , রুখে দাড়াও বাংলা
২৫ অক্টোবর - অনেক জল্পনা -কল্পনা চলছে এই ২৫ অক্টোবর কে ঘিরে , তাইনা ? কি হবে, কি হতে যাচ্ছে ২৫ অক্টোবর ? বি এন পি - জামাত নামক স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি মরন কামড় দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কয়েকমাস আগে যখন একের পর এক রাজাকারের রায় আসা শুরু হচ্ছিল , তখন আমরা বলতাম না , যে কিছুদিন পর যখন রায় কার্যকর করবে তখন আমরা তো ঈদের আনন্দ করব , বিজয় মিছিল করব - কিন্তু জামাত -শিবির কি চুপ করে বসে থাকবে ? এখন সে...ই দিন এসেছে। কসাই এর ফাসির রায় কার্যকরের কথা বলা হয়েছে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। কাজেই দেশে চূড়ান্ত একটা নাশকতা সৃষ্টি করে সরকারের উপর সব দোষ চাপানো এবং কসাই কাদের এর ফাসি কার্যকর করা ঠেকানোর চেষ্টা করবে এখন ধর্মব্যবসায়ী জামাত -শিবির , বি এন পি।
কসাই এর ফাসির আনন্দে বিজয় মিছিল করতে চাই। আর কত দেরি ?????
একটা আন্দোলন , একটা দাবি - রাজাকারের ফাঁসি , আর তাই নিয়ে একটানা রাজপথে থাকা আমাদের । কখনও দীপ্ত শপথ , কখনও একসাথে সারা দেশে জাতীয় সঙ্গীত , কখনও পতাকা উত্তোলন - সারা দেশে , সারা বাংলায় এক ই সাথে। আবার কখনও শাহবাগে একটানা অবস্থান , স্লোগানে মুখরিত শাহবাগ , স্লোগানে উত্তাল বাংলার প্রতিটা প্রান। এত সুন্দর , সুশৃঙ্খল একটা জাগরন -১৯৭১ এর পর আক্ষরিক অর্থেই বাংলায় হয়নি। এই জাগরন ছুয়ে গিয়েছিল দেশের প্রত্যে...কটা প্রাণকে , বাঙ্গালি পরিচয়ে গর্বিত প্রত্যেকটা মানুষ মাঠে নেমে আসছে বারবার - এক একটা রায় , এক একটা বিজয় ঘোষণা , এক একবার চরম উত্তেজনা, বাংলার সাধারন খেটে খাওয়া মানুগুলোর রাস্তায় নেমে আসা , শাহবাগে অবস্থান নেয়া - রাজাকারের ফাসি না নিয়ে ঘরে ফিরব না -দৃপ্ত শপথে জ্বলে ওঠা।
আমি ১৯৭১ দেখিনি , কিন্তু আমি ২০১৩ দেখেছি -২০১৩ তে আন্দোলনের অংশ হয়েছি। শাহবাগে একটা ব্যানার লাগানো ছিল - "এই প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি , রাজাকার রাও এই প্রজন্মের যুদ্ধ দেখেনি , দেখিয়ে দেয়ার এখন ই সময়"- কথাটা সম্পূর্ণ ভাবে আমাদের সবার মনের কথা , শাহবাগের প্রত্যেকটা আন্দোলন কারীর মনের কথা। শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর রাস্তায় নামিয়েছে বাংলার সাধারন , একেবারে সাধারন জনতা বলতে যে মানুষ গুলোকে বোঝানো হয় সেই মানুষগুলোকে । খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের এই জাগরন বৃথা যাবার নয় , এই গনজোয়ার কক্ষনো বৃথা যেতে পারে না ।
আমি ১৯৭১ দেখিনি , কিন্তু আমি ২০১৩ দেখেছি -২০১৩ তে আন্দোলনের অংশ হয়েছি। শাহবাগে একটা ব্যানার লাগানো ছিল - "এই প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি , রাজাকার রাও এই প্রজন্মের যুদ্ধ দেখেনি , দেখিয়ে দেয়ার এখন ই সময়"- কথাটা সম্পূর্ণ ভাবে আমাদের সবার মনের কথা , শাহবাগের প্রত্যেকটা আন্দোলন কারীর মনের কথা। শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর রাস্তায় নামিয়েছে বাংলার সাধারন , একেবারে সাধারন জনতা বলতে যে মানুষ গুলোকে বোঝানো হয় সেই মানুষগুলোকে । খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের এই জাগরন বৃথা যাবার নয় , এই গনজোয়ার কক্ষনো বৃথা যেতে পারে না ।
সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৩
বর্তমানে নাস্তিক হতে বেশি কিছু লাগে না...
: এই যে খোকা, যাচ্ছ কোথায়?
: মসজিদে যাচ্ছি চাচা, নামাজ পড়তে।
: সুবহানাল্লাহ! আমিও তো মসজিদেই যাচ্ছি, চলো তোমার সাথেই যাই।
: জ্বী চাচা, চলুন।
: আজকালকার ছেলেরা দেখি নামাজ রোযা করতেই চায় না, সবার মনে যেন শয়তান ভর করছে! নাআইজুবিল্লাহ!! তবে তোমাকে দেখে খুব ভাল লাগল।
: চাচা, আমার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত পড়া হয়ে ওঠে না, তবে যখন নামাজ পড়ার সুযোগ থাকে, আমি কখনোই সুযোগ হাতছাড়া করি না।
: মাশাআল্লাহ! তোমার জন্য দোয়া করি বাবা, একদিন অনেক বড় হবা। আজকের যুগে তোমার মত ভদ্র ছেলে দেখাই যায় না!
: ধন্যবাদ চাচা।
: তা, মাঝে মাঝেই দেখি তুমি নামাজ শেষ করে রিকশা করে কই যেন যাও। যাও কই প্রতিদিন?
: শাহবাগ যাই চাচা।
: (চোখ কপালে তুলে) তু-তুমি শাহবাগ যাও? কেন?
: চাচা, আমি একজন আন্দোলনকারী, আমি আন্দোলন করতে শাহবাগ যাই।
: তুমি তো চরম নাপাক! তোমার নামাজ কবুল হবে না!
: (নিরুত্তর)
: তুমি ঘর থেকে বের হও ঐ জায়গায় যাওয়ার নিয়ত করে! ওয়াস্তাগফিরুল্লাহ!
: (বিড়বিড় করে) আমি রাজাকারের ফাসি চাই!
: কি বললা? তুমি তো নাস্তিক! তুমি তো ইসলামের শত্রু!! যত্তসব নষ্ট পোলাপান!!!
.
.
কত সহজেই না একজন মুসলিমকে নাস্তিক বানিয়ে দেয় এরা!!!
: মসজিদে যাচ্ছি চাচা, নামাজ পড়তে।
: সুবহানাল্লাহ! আমিও তো মসজিদেই যাচ্ছি, চলো তোমার সাথেই যাই।
: জ্বী চাচা, চলুন।
: আজকালকার ছেলেরা দেখি নামাজ রোযা করতেই চায় না, সবার মনে যেন শয়তান ভর করছে! নাআইজুবিল্লাহ!! তবে তোমাকে দেখে খুব ভাল লাগল।
: চাচা, আমার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত পড়া হয়ে ওঠে না, তবে যখন নামাজ পড়ার সুযোগ থাকে, আমি কখনোই সুযোগ হাতছাড়া করি না।
: মাশাআল্লাহ! তোমার জন্য দোয়া করি বাবা, একদিন অনেক বড় হবা। আজকের যুগে তোমার মত ভদ্র ছেলে দেখাই যায় না!
: ধন্যবাদ চাচা।
: তা, মাঝে মাঝেই দেখি তুমি নামাজ শেষ করে রিকশা করে কই যেন যাও। যাও কই প্রতিদিন?
: শাহবাগ যাই চাচা।
: (চোখ কপালে তুলে) তু-তুমি শাহবাগ যাও? কেন?
: চাচা, আমি একজন আন্দোলনকারী, আমি আন্দোলন করতে শাহবাগ যাই।
: তুমি তো চরম নাপাক! তোমার নামাজ কবুল হবে না!
: (নিরুত্তর)
: তুমি ঘর থেকে বের হও ঐ জায়গায় যাওয়ার নিয়ত করে! ওয়াস্তাগফিরুল্লাহ!
: (বিড়বিড় করে) আমি রাজাকারের ফাসি চাই!
: কি বললা? তুমি তো নাস্তিক! তুমি তো ইসলামের শত্রু!! যত্তসব নষ্ট পোলাপান!!!
.
.
কত সহজেই না একজন মুসলিমকে নাস্তিক বানিয়ে দেয় এরা!!!
রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৩
শুভ সূচনা হোক সচেতনতার , নিপাত যাক সব রকম ধর্ম ব্যবসা ও জঙ্গিবাদ
বাংলাদেশ , বাংলাদেশের মানুষ চিরকাল অসাম্প্রদায়িক , বাঙালি জাতীয়তাবাদে পরম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ সমগ্র বাঙালি জাতি। এদেশ বারো মাসে তের পার্বণের দেশ - ঈদ , পূজা , বৌদ্ধ পূর্ণিমা , ক্রিস্টমাস , পহেলা বৈশাখ - প্রত্যেকটা অনুষ্ঠান বাঙালি পালন করে চিরন্তন ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে। আর এইসব আনন্দ অনুষ্ঠানে প্রত্যেকটা বাঙালি একে অপরের সহযাত্রী , একে অপরের প্রানের সহচর। শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর , গনজাগরন মঞ্চ , আট মাস ধরে চলা রাজাকার বিরোধী আন্দোলন আমাদের সামনে স্পষ্ট করে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আর বিপক্ষের শক্তির পার্থক্য । কে বাঙালি আর কে পাকিস্তানি এখন আমরা স্পষ্ট ভাবেই জানি । আর ভাল আর খারাপের যুদ্ধে , স্বাধীনতার পক্ষ আর বিপক্ষ শক্তির যুদ্ধে নিরপেক্ষতা বলে কিছু নেই। তাই এখন আমাদের মধ্যে নিরপেক্ষ বলে কোন পরিচয় নেই। হয় আপনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে , না হয় বিপক্ষে - হয় রাজাকারের ফাসি চান , না হয় চান না। কিন্তু এখানে নিরপেক্ষ বলে কোন কথা নেই।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)