শ্রাবন্তী মেঘের কারুকার্য ছেয়ে ফেলেছিল তোমার আকাশটিকে।আকাশজুড়ে জমা হয়েছিল ঘন কাল মেঘমালা। একসময় তারা ঝরে পরেছিল অঝোরে বৃষ্টি হয়ে।সেই বৃষ্টি, বিধাতার আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল কাঠফাটা রৌদ্রের পরে। এক নবযৌবন লাভ করেছিল তোমার প্রকৃতি।এ বৃষ্টিকে দেখে নতুন ফসলের আশায় বুক বেঁধেছিল কৃষাণ। কবি রচনা করেছিল নতুন কোনও কবিতা। কোথাও হয়ত একটি একাকী কিশোরী বালিকা লুকিয়ে লুকিয়ে ছাদে উঠে গিয়েছিল বৃষ্টিতে ভিজতে।অবাক হয়ে ...বিস্ময় ভরে তোমার সে রুপ দেখেছিলাম জানালার গরাদ ভেদ করে। আর নিজের মনেই বলেছিলাম, ভালবাসি।
অপরুপ রোদ্দুরে স্নান করা প্রকৃতি নিয়ে উজ্জ্বল হাসিতে উদ্ভাসিত ছিলে তুমি। কাকের চোখের মত কালোচুল এলিয়ে রাঙা উৎপলকে তোমার উপমা হিসেবে ব্যাবহার করে গেছেন কবি।কৃষ্ণচূড়ার লালে পুরো শরীর আবীর রাঙ্গা করে পৃথিবীর মানচিত্রে তুমি গৌরবের হাসি হাসছ। বসন্তের ছোঁয়া লেগেছিল তোমার প্রকৃতিতে। শীতের বৈরাগ্যের পর পরই বসন্তের পুস্পশোভিত ডালি নিয়ে সারা বিশ্বকে তুমি যেন জানিয়ে দিচ্ছ তোমার গৌরবময় উপাখ্যান। স্নেহময়ী তোমার সেই মাতৃরুপ আমি দেখেছি একান্ত অনুভবে। আর অন্তর থেকে উচ্চারন করেছি, ভালবাসি।
অপরুপ রোদ্দুরে স্নান করা প্রকৃতি নিয়ে উজ্জ্বল হাসিতে উদ্ভাসিত ছিলে তুমি। কাকের চোখের মত কালোচুল এলিয়ে রাঙা উৎপলকে তোমার উপমা হিসেবে ব্যাবহার করে গেছেন কবি।কৃষ্ণচূড়ার লালে পুরো শরীর আবীর রাঙ্গা করে পৃথিবীর মানচিত্রে তুমি গৌরবের হাসি হাসছ। বসন্তের ছোঁয়া লেগেছিল তোমার প্রকৃতিতে। শীতের বৈরাগ্যের পর পরই বসন্তের পুস্পশোভিত ডালি নিয়ে সারা বিশ্বকে তুমি যেন জানিয়ে দিচ্ছ তোমার গৌরবময় উপাখ্যান। স্নেহময়ী তোমার সেই মাতৃরুপ আমি দেখেছি একান্ত অনুভবে। আর অন্তর থেকে উচ্চারন করেছি, ভালবাসি।