নির্বাচন , গণতন্ত্র , রাজনীতি - অনেক উচ্চ পর্যায়ের শব্দ এগুলো। এসব বোঝার জন্য আমাদের জন্ম হয়নি , আমাদের জন্ম হয়েছে এসবের বলি হওয়ার জন্য। এই ঘৃণ্য খেলায় খেলোয়াড় না হওয়াটাই অপরাধ , শীতের কাপড় কিনতে যাওয়া অপরাধ , জীবিকার তাগিদে রাস্তায় বের হওয়া অপরাধ। সবকিছুর মূল্য আছে - গণতন্ত্র , রাজনীতি সবকিছুর মূল্য আছে - মূল্যহীন শুধু মানুষ , মূল্যহীন শুধু মনির , নাহিদ , রবিন কিংবা বার্ন ইউনিটের আরও মানুষগুলো , ...মূল্যহীন শুধু মানুষের জীবন। অমূল্য গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে সবকিছুই সম্ভব - সম্ভব না শুধু কিছু সাধারন মানুষের জীবন রক্ষা করা। সম্ভব না শুধু রক্তের খেলা থামানো... সম্ভব না শুধু মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ...।।
শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৩
শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৩
একাত্তরের চিঠি - ইতিহাসের জ্বলন্ত সাক্ষী
'একাত্তরের চিঠি'র প্রচ্ছদে একজন মুক্তিযোদ্ধার প্রায় মলিন হয়ে আসা চিঠির মাঝে জ্বলজ্বলে অক্ষরে এক একটি বাংলা অক্ষর , আর সেই চিঠির ওপর টকটকে লাল রক্ত। এই চিঠিরা ইতিহাস , ত্রিশ লাখ শহীদের স্মৃতি, অসঙ্খ্য মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতি। ইতিহাসের ভেতর থেকে উঠে আসে আরেক ইতিহাস - রনাঙ্গনের নানা ছোট - বড় স্মৃতি , কিংবা মা এর কাছে আকুল আবেদন -"মা , মাগো। দুটি পায়ে পড়ি মা। তোমার ছেলে ও মেয়েকে দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে... ঘরে আটকে রেখ না। ছেড়ে দাও স্বাধীনতার উত্তপ্ত রক্তপথে। শহীদ হয়ে অমর হব , গাজী হয়ে তোমারই কোলে ফিরে আসব মা। মাগো, জয়ী আমরা হবই। দোয়া রেখ। জয় বাংলা।" এই ইতিহাসকে বুকে নিয়েই আমরা বেঁচে থাকি , এই রক্তভেজা ইতিহাসের জন্যই আমরা নিজেদেরকে বাঙালি বলে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি... মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি...। মোরা নতুন একটি কবিতা লিখতে যুদ্ধ করি...।
বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৩
রক্তচোষা জানোয়ার , এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়
সাধারণ মানুষের উপর আক্রমণ করে কিসের রাজনীতি ? জীবন্ত মানুষের গায়ে আগুন দিয়ে কিসের রাজনীতি ? আমি একটা সোজা হিসাব বুঝি না - একজন মানুষ কিভাবে আরেকজন মানুষের গায়ে আগুন দিতে পারে। ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে অসহ্য যন্ত্রণায় যে মানুষগুলো কাতরাচ্ছেন তারাও তো কারও মা - বাবা - ভাই - বোন, নাকি ?জামাত - শিবিরের রক্তচোষা জানোয়ারদের রক্তের নেশা মেটানোর জন্য কি এভাবে বলি হতে হবে সাধারন মানুষকে ? একাত্তর থেক...ে আজ পর্যন্ত এই রাক্ষস দের , এই দেশদ্রোহীদের রক্তের পিপাসা মেটেনি, আর সেইজন্য প্রতিনিয়ত বলি হতে হচ্ছে মনিরদের ... এই দুঃস্বপ্নের অবসান কোথায় ?
একবার ভাবুন , অবরোধে কিন্তু স্কুল - কলেজ - অফিস -আদালত কিছু বন্ধ থাকে না। জীবন এগিয়ে চলে তার নিজের গতিতেই। জীবিকার প্রয়োজনেই মানুষকে রাস্তায় বের হতে হবেই - আর দিনশেষে কি ঘরে ফেরার পরিবর্তে ঠিকানা হবে ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিট? আজকে যে মানুষগুলো আগুনে পুড়ে অসহ্য যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন তাদের কেউ হয়ত জীবিত ফিরে যাবেন পরিবারের কাছে , কেউ ফিরবেন না , কাউকে হয়ত পঙ্গুত্ব বরণ করে নিতে হবে সারাজীবনের জন্য ... কি অপরাধ এই মানুষগুলোর ? বাঙালি হওয়া , পাকিস্তানি না হওয়া ?
একাত্তরে সারা বাংলাদেশে এক ই ভাবে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী , জ্বালিয়ে দিয়েছিল গ্রামের পর গ্রাম , পুড়িয়ে মেরেছিল জীবন্ত মানুষকে। সারা বাংলাদেশকে পরিনত করেছিল বার্ন ইউনিটে। পাকিস্তানি হায়েনারা ভুলিস না এই প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে রাখা প্রজন্ম। এই প্রজন্ম রাজাকারের ফাসির দাবিতে জেগে উঠে দাবি আদায় করে নিতে জানে - দিনের পর দিন , রাতের পর রাত প্রজন্ম চত্বরে অবস্থান নিতে পারে রাজাকারের ফাসির দাবিতে। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পাকিস্তানিরা যেভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল , এই প্রজন্মের কাছে তোদের সেই পরাজয়ও আসন্ন। কাদের কসাই এর ফাসি , বাংলার মাটিতে তোদের চূড়ান্ত পরাজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
এ প্রজন্ম মুক্তিকামী জনস্রোত ...
নেবেই নেবে একাত্তরের প্রতিশোধ ...
একাত্তরের হাতিয়ার , গর্জে উঠুক আরেকবার ...
রাজাকারের ফাসি হোক , শহীদরা পাক ন্যায়বিচার।
জয় বাংলা।
বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৩
সাবাশ বাংলাদেশ , এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় , জ্বলে - পুড়ে - মরে ছারখার , তবু মাথা নোয়াবার নয়।
একটি প্রজন্মের যখন জাগরণ হয় , তখন সে জাগরণের জোয়ারে সবরকম অপশক্তি পরাজিত হতে বাধ্য। একটি জাতির তরুণ সমাজ যখন জেগে উঠতে জানে , তখন সেই জাতিকে দমাতে পারে এমন শক্তি নেই। বাঙালি এমন একটা জাতি যে জাতির জন্ম বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে। প্রতিটা বাঙালি জন্ম থেকে বিপ্লবের সাথে এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে আবদ্ধ - আর সেজন্যই মুখ বুজে সহ্য করার স্বভাব বাঙ্গালির নেই। বাঙালি জাতি এমন একটি জাতি , মায়ের মুখের ভাষায় কথা বলার অধ...িকারটাও যাদের সংগ্রাম করে আদায় করতে হয়েছে , রক্ত ঝরিয়ে আদায় করতে হয়েছে। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা , বাংলাদেশ নামক ছোট্ট সবুজ দেশটি রক্তের দামে কেনা , মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জন করে নেয়া , ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের দামে , দুই লাখ বীরাঙ্গনা মাএর সম্ভ্রমের দামে কেনা এই ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ ...। সেজন্যই তো বাংলাদেশ কে নিয়ে , বাঙ্গালিকে নিয়ে সুকান্ত ভট্টাচার্য লিখেছিলেন - "সাবাশ বাংলাদেশ , এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়/ জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার , তবু মাথা নোয়াবার নয়।"
বাংলাদেশ এমন একটা দেশ , চিরদিন যে দেশের নরম পলিমাটিতে জন্ম নেয় সচেতনতার ধান - শত জরা , মৃত্যুকে পাশ কাটিয়ে অনন্ত অক্ষত মূর্তিতে বাংলাদেশ জাগতে জানে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের দিয়াশলাই বাংলাদেশের প্রতিটা তরুন প্রাণে সদা জাগ্রত । তাই বাংলা মায়ের কলঙ্কমোচনের প্রশ্নে ভিসুভিয়াসের মহাবিস্ফোরণের মত বাঙালি বারবার জেগে উঠেছে, উঠবে। '৫২ , '৬২ , '৬৬ , '৬৯ , '৭১ , '৯০ , '৯২ , '২০১৩ - এক একটা সাল - রক্তের দামে লাল - সবুজ মানচিত্র আঁকার এক একটি বছর। শহীদ সালাম - বরকত - রফিক - শফিক - জব্বার কিংবা শহীদ রুমী -বদি -আজাদ - সুরকার আলতাফ মাহমুদ - ক্রিকেটার জুয়েল - অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী - মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী - জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা কিংবা নাম না জানা আরও ত্রিশ লাখ শহীদ , কিংবা শহীদ রাজীব , দীপ , জগতজ্যোতি , জাফর মুন্সি - কি সুন্দর থোকা থোকা পুষ্পগুচ্ছের মত এক একটি নাম, এক একজন শহীদের নাম যাদের রক্তস্রোতে প্লাবিত বাংলার মাটি।
বাংলাদেশ এমন একটা দেশ , চিরদিন যে দেশের নরম পলিমাটিতে জন্ম নেয় সচেতনতার ধান - শত জরা , মৃত্যুকে পাশ কাটিয়ে অনন্ত অক্ষত মূর্তিতে বাংলাদেশ জাগতে জানে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের দিয়াশলাই বাংলাদেশের প্রতিটা তরুন প্রাণে সদা জাগ্রত । তাই বাংলা মায়ের কলঙ্কমোচনের প্রশ্নে ভিসুভিয়াসের মহাবিস্ফোরণের মত বাঙালি বারবার জেগে উঠেছে, উঠবে। '৫২ , '৬২ , '৬৬ , '৬৯ , '৭১ , '৯০ , '৯২ , '২০১৩ - এক একটা সাল - রক্তের দামে লাল - সবুজ মানচিত্র আঁকার এক একটি বছর। শহীদ সালাম - বরকত - রফিক - শফিক - জব্বার কিংবা শহীদ রুমী -বদি -আজাদ - সুরকার আলতাফ মাহমুদ - ক্রিকেটার জুয়েল - অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী - মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী - জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা কিংবা নাম না জানা আরও ত্রিশ লাখ শহীদ , কিংবা শহীদ রাজীব , দীপ , জগতজ্যোতি , জাফর মুন্সি - কি সুন্দর থোকা থোকা পুষ্পগুচ্ছের মত এক একটি নাম, এক একজন শহীদের নাম যাদের রক্তস্রোতে প্লাবিত বাংলার মাটি।
মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৩
আমার প্রতি নিঃশ্বাসের বিষে , বিশ্বের যন্ত্রনার ভাষা...
প্রজন্ম চত্বরে জাফর ইকবাল স্যারের বক্তৃতাটা শুনে সেইদিনও কেঁদেছিলাম , আজও মাঝে মাঝেই ঐ বক্তৃতাটা শুনি আর কাঁদি, অনেক হতাশার মাঝেও স্যারের কথাগুলো আশা জাগায় , নতুন করে ভাবতে শেখায়। স্যার বলেছিলেন -"জাহানারা ইমামের ছবি আছে , জাহানারা ইমাম উপর থেকে দেখছেন ... আজকে ত্রিশ লক্ষ শহীদ উপর থেকে দেখছেন , আর বলছেন - থ্যাঙ্ক ইউ , থ্যাঙ্ক ইউ ... তোমাদেরকে ধন্যবাদ ...। আমরা অনেক সৌভাগ্যবান একটা জাতি। যখন বঙ্গবন...্ধুকে দরকার ছিল , বঙ্গবন্ধুকে পেয়েছি ... যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে , তাজউদ্দিন আহমেদ আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন , এখন তোমাদের দরকার তোমাদের পেয়েছি ... এই বাংলাদেশ কে আর কেউ হারাতে পারবে না ...। "
যখন থেকে রাজ রাণীর গল্প পড়ার স্তর থেকে বের হয়ে সবরকম গল্পের বই পড়া শুরু করেছি , তখন থেকে জাফর ইকবাল স্যার আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক। একজন কিশোরের মনের কথাগুলো স্যার কিভাবে বুঝেন জানি না, কিন্তু সত্যি ওনার বইগুলো পড়লে মনে হয় আমার যে এইরকম বকুলাপু হতে ইচ্ছা করে সেটা স্যার কিভাবে জানলেন ? আর সায়েন্স ফিকশনের ব্যাপারে যদি বলতে চাই - এত সুন্দর করে বিজ্ঞানকে আমাদের সামনে তুলে ধরা জাফর ইকবাল স্যার ছাড়া আর কারো পক্ষে সম্ভব না। আমেরিকায় নিশ্চিত জীবন সবকিছু ছেড়ে স্যার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ কে আঁকড়ে পরে আছেন .....।
যখন থেকে রাজ রাণীর গল্প পড়ার স্তর থেকে বের হয়ে সবরকম গল্পের বই পড়া শুরু করেছি , তখন থেকে জাফর ইকবাল স্যার আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক। একজন কিশোরের মনের কথাগুলো স্যার কিভাবে বুঝেন জানি না, কিন্তু সত্যি ওনার বইগুলো পড়লে মনে হয় আমার যে এইরকম বকুলাপু হতে ইচ্ছা করে সেটা স্যার কিভাবে জানলেন ? আর সায়েন্স ফিকশনের ব্যাপারে যদি বলতে চাই - এত সুন্দর করে বিজ্ঞানকে আমাদের সামনে তুলে ধরা জাফর ইকবাল স্যার ছাড়া আর কারো পক্ষে সম্ভব না। আমেরিকায় নিশ্চিত জীবন সবকিছু ছেড়ে স্যার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ কে আঁকড়ে পরে আছেন .....।
সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৩
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর ... বয়ে আনুক নতুন বিজয়...
প্রতিটা দিন নতুন নতুন সম্ভাবনা নিয়ে হাজির হয় ... নতুন নতুন প্রতিযোগিতা , নতুন নতুন সংবাদ । প্রতিটা সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের মাঝে লেখা হয় জীবনের অনেক ইতিহাস ... বাংলাদেশের নরম পলিমাটির বুকে মাটির মানুষের পথ চলা.....। প্রতিটা দিনের সূচনা একটা আশা নিয়ে - হয়ত আজই পাব সুখবর ... ধাপে ধাপে প্রত্যেকদিন একটু একটু করে স্বপ্নের রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ আমাদের হাতে এসে ধরা দিচ্ছে প্রতিনিয়ত ... গতকাল পূর্ণাঙ্গ রায়... লেখা শেষ হল, কিছুক্ষন আগে সমকাল অনলাইন নিউজে দেখলাম রায় আগামী তিনদিনের মধ্যেই প্রকাশ হতে যাচ্ছে ... এরপর আর কি - দিন গণনা শুরু ... এই রায় কার্যকরে জেল কোড মানে ২১ থেকে ২৮ দিনের হিসাব নাকি কার্যকর হবে না শুনছি - তাহলে তো এবারের বিজয় দিবসের মধ্যেই কসাই এর ফাসি কার্যকরের আশাটুকু আমরা করতেই পারি , নাকি ???
সেজন্যই বলি প্রতিটা দিন নতুন নতুন সম্ভাবনার সূচনা ...। শাহবাগ জেগে আছে , শাহবাগ ঘুমায় না। শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরের সেই গনজাগরনে যখন গিয়েছিলাম প্রথম , তখন কি কল্পনা করতে পেরেছিলাম নয় মাস পরে একদিন ফাসি কার্যকরের এত কাছাকাছি চলে আসব আমরা ? কিন্তু হ্যা , আমরা পেরেছি। এ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি , রাজাকার রাও এ প্রজন্মের যুদ্ধ দেখেনি , দেখিয়ে দেয়ার এখনি সময়...। প্রজন্ম চত্বরের সেই ব্যানারে লেখা কথাগুলো বাস্তবে পরিণত করার জন্যই শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর জেগে আছে , জেগে থাকবে। প্রজন্ম চত্বর জেগে আছে সারা বিশ্বের বাঙ্গালিকে একটি অন্যরকম বিজয় আনন্দ উপহার দেয়ার জন্য ... কাদের কসাই এর ফাসি উপহার দেয়ার জন্য। এবারের 'বিজয় ২০১৩' - বিশ্বজুড়ে বাংলার বিজয় ছড়িয়ে যাবে সারা বিশ্বে। সারা পৃথিবী অবাক হয়ে দেখবে বাঙালি জ্বলে - পুড়ে - মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয় ...।
আসছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। মহান এই বিজয়ের মাসে কার্যকর হোক ঘৃণ্য রাজাকার কসাই কাদেরের ফাসি। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন পূর্ণতা পাক বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে এসে ...। স্বপ্ন পূরণ হোক বাঙ্গালির , বিয়াল্লিশ বছরের কলঙ্কের অবসান ঘটুক প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের মত করে অমর হয়ে থাক ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসও ...। এক ই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই এর বিজয়চিহ্ন ধারক হয়ে বেচে থাকুক বাংলাদেশ ... বেঁচে থাকুক রক্তে ভেজা ইতিহাসের পাতা ... জেগে থাকুক শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর।
জয় বাংলা।
রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৩
মুক্তিযুদ্ধের বাংলায় , রাজাকারের ঠাই নাই...
প্রত্যেকটা প্রতীক্ষার ই একটা অবসান আছে ... প্রত্যেকটা যুদ্ধের ই একটা শেষ আছে ... প্রত্যেকটা সংগ্রামেরই একটা সমাপ্তি আছে ... শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরের রাজাকারবিরোধী আন্দোলন হয়ত এবার এগিয়ে যাচ্ছে সব প্রতীক্ষার অবসান করে মহান বিজয়ের দিকে ... কাদের কসাই এর ফাসি কার্যকরের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ ..।। অনেক অনেক মাস ধরে আন্দোলন চলার পর একদিন আইন সংশোধন করে কসাই এর রায় এসেছে ফাসির। সেই রায় প্রকাশের ৬৭ দিন পর আজক...ে পূর্ণাঙ্গ রায় লিখা শেষ হয়েছে ... যে কোন দিন প্রকাশ হবে এই রায় এখন- এরপর? এরপর দি গ্রেট কাউন্টডাউন স্টার্টস ... ৩০ দিন , ২৯ দিন করে একসময় জিরো আওয়ারে এসে থামবে ঘড়ির কাটা। কসাই এর ফাসি কার্যকর হবে... আমার সোনার বাংলা কলঙ্কমুক্ত হবে চিরকালের মত...।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)